রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২০, ০১:৫৫ পূর্বাহ্ন

এবার মাদকবিরোধী অভিযানে নিহত ৭

এবার মাদকবিরোধী অভিযানে নিহত ৭

এবার চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ কুষ্টিয়া, কুমিল্লা, ফেনী, ঠাকুরগাঁও, রংপুর ও গাইবান্ধায় সাতজন নিহত হয়েছেন। র‌্যাব ও পুলিশের দাবি, নিহতরা সবাই মাদক ব্যবসায়ী। তাদের নামে বিভিন্ন থানায় মামলা রয়েছে।

মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার ভোর পর্যন্ত এসব ঘটনা ঘটে।

মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টার দিকে কুমারখালী উপজেলার লাহিনীপাড়া গড়াই নদীসংলগ্ন ব্রিজের নিচে ও ভেড়ামারা উপজেলার হাওখালী মাঠে এসব বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।

কুমারখালী থানার ওসি আবদুল খা‌লেক জানান, একদল মাদক ব্যবসায়ী মাদক কেনাবেচার উদ্দেশ্যে লাহিনীপাড়ার গড়াই নদীর পাড়সংলগ্ন ব্রিজের নিচে অবস্থান করছে, এমন গোপন সংবাদ পেয়ে পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়।

পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। জবাবে পুলিশও পাল্টা গুলি চালালে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ এক যুবক গুলিবিদ্ধ হন। ওই যুবককে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

পরে পুলিশ জানতে পারে বন্দুকযুদ্ধে নিহত ব্যক্তি শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসী ফটিক ওরফে গাফফার। ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ৫ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন বলে পুলিশের দাবি।

ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, এক রাউন্ড গুলি, ৭০০ পিস ইয়াবা ও ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করেছে পুলিশ।

অন্যদিকে ভেড়ামারা থানার ওসি আমিনুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টার দিকে উপজেলার হাওখালী মাঠে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী লিটন শেখ (৪৫) নিহত হয়েছেন।

পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি এলজি, তিন রাউন্ড গুলি, ৫০০ পিস ইয়াবা ও ২ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করেছে। তবে পরিবারের দাবি সোমবার রাত থেকে লিটন নিখোঁজ ছিল।

কুমিল্লা জেলায় গ্রেফতারের পর ডিবি ও থানা পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ইসহাক ওরফে ইছা নামে ১১ মামলার এক আসামি নিহত হয়েছেন।

এ ঘটনায় কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সালাহউদ্দিন, এসআই মারুফ ও কনস্টেবল মিজানসহ তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টার দিকে জেলার আদর্শ সদর উপজেলার চাঁনপুর ব্রিজসংলগ্ন সামারচর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ৪০০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত ইসহাক একই উপজেলার গাজীপুর গ্রামের আবদুল জলিলের ছেলে।

কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া জানান, পুলিশের মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চলাকালে মঙ্গলবার বিকালে ইসহাককে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী, সদর উপজেলার সামারচর এলাকা থেকে ফেনসিডিল উদ্ধার শেষে ফেরার পথে ইছার সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এ সময় পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছোড়ে। একপর্যায়ে ইছার সহযোগীদের এলোপাতাড়ি গুলিতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।





© All rights reserved © 2017 alltimenewsbd24.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com